গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য মার্কেটিং!

graphic design, graphic school
বর্তমানে আপনি যদি ডিজাইনার হয়ে শুধু মার্কেটপ্লেসের পিছনে দৌড়াতে থাকেন তাহলে আপনি হয়তো আপনার অজান্তে ভুল পথে হাঁটছেন।
ডিজাইনের পাশাপাশি আপনাকে মার্কেটিং এর উপর ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আবার আমরা অনেকেই জানিনা ইতিমধ্যে আমরা আমাদের ডিজাইন মার্কেটিং করছি, কিন্তু কিভাবে?
মার্কেটপ্লেসের উপর নির্ভর হয়ে গেলে আপনার হয়তো সামনে ভয়াভহ পরিস্থিতির উপর দিয়ে যেতে হতে পারে। তবে সবার জন্য নয়, আপনি খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন, এমন অনেক ডিজাইনার বা ফ্রিল্যান্সার আছেন যারা প্রতি মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করেন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে, কিন্তু কোন এক কারণে এই মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট আপনাকে হারাতে হতে পারে, তখন আপনি কি করবেন! একবার ও কি ভেবে দেখেছেন?
এই জন্য আপনাকে মার্কেটপ্লেসের বাইরে আসতে হবে। তাহলে করনীয় কি?
পোর্টফলিও: পোর্টফলিও আপনার আইডেন্টিটি বহন করে আপনি কেমন ডিজাইনার আপনার পোর্টফলিও মাধ্যেমেই প্রকাশ পায়। ভাল পোর্টফলিও তৈরি করতে পারলে Direct Client পাবেন।
পোর্টফলিও Personal Branding এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আপনার ভাল ডিজাইন আপনাকে যেমন সাবার সামনে পরিচিতি লাভ করায় ঠিক তেমনি আপনাকে অন্যদের থেকে ভিন্ন করতে সাহায্যে করে।
পোর্টফলিও সাইট:
Behance: এটি ডিজাইনারদের Design inspiratation এর স্বর্গ যেমন ঠিক তেমনি আপনাকে Client পেতে সাহায্যে করে। তবে এইখানে লং প্রজেক্ট দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এবং ডিজাইন Consistency বজায় রাখতে হবে সেইটা যেকোন প্রজেক্ট হোক না কেন।
Dribble: এইখানে প্রচুর ক্লায়েন্ট পাবেন কিন্তু আপনাকে Continue শট শেয়ার করে যেতে হবে।
এই ২টি পোর্টফলিও সাইটে এক্টিভ থাকলে খুব ভাল ক্লায়েন্ট পাবেন এছাড়া Adobe Portfolio, pinterest ইত্যাদি যায়গাতে ও বানাতে পারেন।
Social Media Platform
এটি Personal Branding এবং Networking এর জন্য শেরা মাধ্যেম। যেইখানে আপনার ডিজাইন শেয়ার করার মাধ্যেমে Organic ভাবে ভাল ক্লায়েন্টের কাছে রিচ করতে পারবেন।
Facebook, Instagram, Pinterest, Linkedin অন্যতম।
নেটওয়ার্কিং:
আপনি যদি ভাল নেটওয়ার্কিং করতে পারেন আশা করছি Direct Client এর কাজ করে শেষ করতে পারবেন না। এর জন্য ডিজাইনাররা কিভিন্ন স্ট্রাটেজি অবলম্বন করে থাকেন। নেটওয়ার্কিং নিয়ে বিস্তারিত অন্য কোন একদিন বলবো ইনশাআল্লাহ।
ভিডিও কনটেন্ট:
বর্তমানে আপনি যদি আপনার পোর্টফলিওতে Extra Ordinary কিছু যুক্ত করতে চান তাহলে আপনার করা ডিজাইন তৈরির প্রসেস, ভিডিও কনটেন্টে তুলে ধরুন এবং এখন সবচেয়ে বড় মাধ্যেম ক্লায়েন্ট বানানোর সাথে আপনার ফেস ভ্যালু, পারসোনাল ব্র্যান্ডিং, নেটওয়ার্কিং সবকিছুর ই কম্বো প্যাক হিসাবে কাজ করবে।
পারসোনাল পোর্টফলিও সাইট:
আপনার নিজের একটি পোর্টফলিও সাইট তৈরি করুন। যেইখানে আপনার সকল ডিজাইন আপলোড করুন। আর্টিকেল লিখুন কিছু বেসিক এসইও দিয়ে সাইটটি Optimize করুন, এটি একটু সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।
পেইড মার্কেটিং:
আপনি ছোট খাটো এজেন্সি শুরু করতে চাইলে একটি পেজ থেকেই শুরু করতে পারেন এবং একটি ওয়েবসাইট ভাল ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে এড রান করে ভাল অর্ডার পাওয়ার সম্ভবনা আছে।
যদিও এইটা আপনার মার্কেটিং স্ট্রাটেজির উপর নির্ভর করে। আপনি যত কাজ যানেন, ১/২ জন টিম হিসাবে শুরু করতে পারেন। আপনি যেকোন ডিজাইন রিলেটেড সার্ভিস Provide করতে পারবেন।
সর্বশেষ আপনি যেকোন কিছুই করেন না কেন ফ্রি বা পেইড সব ই মার্কেটিং এর মধ্যে আসবে। তাই আমরা পোর্টফলিও তৈরি করছি এইটাও মার্কেটিং করছি। এই বর্তমান সময়ে ক্লায়েন্ট পেতে হলে একটু নিজের Personal Strategy তৈরি করে চলতে হবে। ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *